একটা সময়  ছিলে যে আমরা কেউ কাউকে যদি জিজ্ঞাস করতাম যে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কোন কোন কাজে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি। তথ্য প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এমন ভাবে পাল্টে গেছে যে উল্টো প্রশ্ন করতে পারি যে আমরা দৈনন্দিন জীবনে কোন কোন কাজে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি  না।

প্রথমে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য আমাদের একটি ডেস্কটপ বা কম্পিউটার দরকার হতো। এরপর  সেটা ছোট হয়ে ল্যাপটপ হয়ে গেলে। তার পর সেটা আরো ছোট হয়ে নোটবুক হল,আবার ছোট হয়ে ট্যাব/ প্যাড হলো আবার সেটি অতি সহজেই আমরা মোবাইল ফোনে ব্যবহার করতে পারি। আর মোবাইলের দাম এতো কমে এসেছে যে কম বেশি সবাই কিনতে পারবে আর তারা তাদের ঘরে বসেই সব কিছু করতে পারবে।সবাই সব কিছু করতে পারবে ফোনের মাধ্যমে। বর্তমান ইন্টারনেট ই মেইলএর মাধ্যমে মানুষ যোগাযোগ করতে পারেন। আর এটা সম্ভব ইন্টারনেটের কারণে সব কিছু করা এখন হাতের মুঠোয়। মোবাইল ডিভাইসের মাধ্যমে মানুষের রোগ নির্ণয় করা যাবে।দিন দিন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের আকারে ছোটো হয়ে আসতেছে আর এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহার রয়েছে যেমন আমরা দিন টা শুরু করি কোন  না কোন খবরের কাগজ পড়ে। বর্তমান সব ধরনের কাগজ আজ কাল কম বেশি ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। কাজেই একজন মানুষ খবরের কাগজ হাতে না নিতেই দিনের খবরা-খবর দিনেই  অনলাইনে পেয়ে থাকে।তরা কারণ আগে মানুষকে মাএ দুটি কাগজ পড়তে হতো। আর এখন প্রায় সকল প্রকার কাগজ পড়তে পারে।

আবার খবরের কাগজ পাশাপাশি আমরা অডিও টেলিভিশনের মাধ্যমে দেখতাম আর শুনতাম তাও এখন নির্ভরশীল হয়ে গেছে  ইন্টারনেটের  উপর। আমরা ইচ্ছে করলেই সকাল প্রকার তথ্য টেলিভিশন বা অডিও তে না শুনে আমরা যেখানে সেখানে থেকে আমরা সব ধরনের তথ্য  ইন্টারনেটের মাধ্যমে শুনতে ও দেখতে পারি।

দিন শুরু হতে যখন আমরা ঘরে বাইরে ঠিক তখন পথে ঘাটে আমরা সবাই কম বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি।যেমন গ্লোবাল পজিশনিং  সিস্টেম বা জিপিএস  আমাদের অবস্থান টা নিখুঁতভাবে বলে দিতে পারে সেটি সব ধরনের স্মার্ট ফোনে লাগানো  থাকে।আর এটি সম্ভব ইন্টারনেটের মাধ্যমে। দৈনন্দিন জীবনে আনন্দ করার জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখে বিনোদন।  আর ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছাড়া এই সব বিনোদন যেনো কল্পনা  করা কঠিন হয়ে গেছে। শুরু তাই নয় গান বা ছবি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষের বেশি ডাউনলোড দেয়। ব্যান্ডউইথ যদি বেশি হয় তাহলে অনেক সময়  ডাউনলোড করা  সম্ভব হয় না। আর সরাসরি দেখা যাবে শুনা যাবে। আবার  বিনোদনের জন্য অনেকই কম্পিউটারে গেম খেলতে ভালোবাসে আর সেটা ইন্টারনেট ব্যবহার করে গেম খেলা নতুন মাএা যোগ করেছে। দৈনন্দিন জীবনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয় সামাজিক  নেটওয়ার্ক এবং সেখানে একজন মানুষ আর একজন মানুষের সাথে কথা বা তার মনে ভাব প্রকাশ করে। আর ভিডিও ছবি ও প্রকাশ করে কথা বার্তা বলে শুধু ইন্টারনেটর মাধ্যমে। আর ইন্টারনেট আমাদের জীবনে প্রতি স্তরে এতটাই প্রভাব ফেলেছে যে এটা যদি কোন দিন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে মানুষ অনেকটা অ সহায় বোধ করবে। আবার দেখা যায় যে আমাদের তরুণ প্রজম্ন আজ কাল প্রায় বেশি ভাগ সময়  ইন্টারনেট বা ফেসবুক কে আসক্তি  থাকে। কিন্তু ইন্টারনেটের গোলক ধাঁধায় বাস্তব জগতের বিনোদন, খেলাধুলা,বন্ধু বান্ধব আত্নীয় স্বজন ইত্যাদি থেকে তারা যেনো কোন ভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়। সেদিকে  আপনাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। আর সাইবার জগতের বাইরে ও যে একটা জগত আছে সেটাও মনে রাখতে হবে এবং এটা যেনেও তরুণ প্রজন্ম উপলব্ধি করতে পারে।

ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পেতে পারি

প্রাচীন সময়ে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেবল কিছু ওয়েবসাইটে গিয়ে সাধারণ তথ্য গ্রহণ করাটাই ছিল এর ব্যবহার বা সুবিধা।

 

কিন্তু, বর্তমান আধুনিক সময়ে প্রযুক্তি সংযুক্ত যেকোনো ক্ষেত্রে আমরা ইন্টারনেটের ব্যবহার সহজেই করতে পারতেছি।

তবে, বর্তমান সময়ে নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্রে, ইন্টারনেটের ব্যবহার নিয়ে আনার কথা প্রত্যেকদিন চলছে।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৈনন্দিন জীবনে আমরা ইন্টারনেটের ব্যবহার করেই চলছি।

১। ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে

২। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে নতুন বন্ধু বানানোর জন্য এবং কিভাবে তাদের সাথে সহজে মেশা যায়

৩। পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার

৪। যাবতীয় বিষয়ে যেকোনো বিষয়ে তথ্য গ্রহণ করার উদেশ্যে

এছাড়া  আরো অন্যান্য ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ব্যবহার করা হচ্ছে ফলে সারাবিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।